বিটকয়েন ওয়ালেট কি ? বিটকয়েন কি বাংলাদেশে বৈধ বিস্তারিত জেনে নিন

বিটকয়েন ওয়ালেট কি : বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত একটি ইলেকট্রনিক কারেন্সি । অবশ্য বর্তমান সময়ে বললে ভুল হবে, কেননা  সৃষ্টি লগ্ন থেকে বিটকয়েন আলোচনা-সমালোচনার তুঙ্গে থাকে ।

তবে সম্প্রতি সময়ে বিটকয়েন নতুনভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।  সেকারণে বিটকয়েন নিয়ে  মানুষের ভেতরে জানার আগ্রহ বেড়ে গিয়েছে। সম্প্রতি সময় ব্যয় কিভাবে বিটকয়েন  নামক এই কারেন্সি ব্যবহারের দায়  বাংলাদেশ অনেকে আটক করা হয়েছে এবং, দাঁড় করানো হয়েছে আইনের কাঠগড়ায়। কিন্তু তারপরেও অবাধে ব্যবহার চলছে বিটকয়েনের।   বিটকয়েন সম্পর্কে বহুল প্রচলিত একটি কথা আমাদের  অনেকের হয়তো জানা । সেটি হলো যদি, কোন ব্যক্তি ২০১০ সালে এক ডলারের সমপরিমাণ বিটকয়েন করতো, এবং এখন পর্যন্ত রেখে দিত  তাহলে এতদিনে সে বিলিয়নার বনে যেত ।

বিটকয়েন এর দরদাম এবং সমুদ্রের ঢেউ একই কথা । কোথায়, কোন দিক দিয়ে কখন হানা দেবে কেউ বলতে পারেনা। তবে অনেকের মনে ভিন্নধর্মী কিছু প্রশ্ন প্রায় সয়ই থেকে যায় ! ( bitcoin bangladesh ) বিটকয়েন বাংলাদেশ কেন অবৈধ? বিটকয়েন এর আবিষ্কারক কে? অন্য কোন দেশে  কি  অবাধে ব্যবহার করা হচ্ছে বিটকয়েন? বিটকয়েন কি আসলে !

এই সকল প্রশ্নের উত্তর হয়েছে আমাদের এই আর্টিকেল ! যে আর্টিকেলে বিটকয়েন সম্পর্কে এত পরিমাণে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে যা হয়ত আপনি ঊইকিপিডিয়া কেউ খুঁজে পাবেন না ।  বিটকয়েন কি ,  বাংলাদেশে বিটকয়েন অবৈধ  কেন , আপনার কাছে যদি বিটকয়েন থেকে থাকে  তাহলে সে ক্ষত্রে  ভয় পাওয়ার কিছু রয়েছে কিনা,কিভাবে বিটকয়েন ট্রানস্ফার করতে হয় , ( bitcoin price in bangladesh ) বিটকয়েনের দাম কোন সময় কেমন থাকে ,  বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের বিটকয়েনের দাম কত ,  বিটকয়েন সম্পর্কে মজাদার কিছু ফ্যাক্ট  ইত্যাদি নিয়ে সাজানো হয়েছে আমাদের এই আর্টিকেলটি !

চলুন তাহলে জ্ঞানের ভান্ডারে ডুবে বিটকয়েন সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাক !

bitcoin কি – বিটকয়েন কী

সংগৃহীত অর্থে বলতে গেলে বিটকয়েন হল এমন এক ধরনের কারেন্সি যেটি মূলত ইলেকট্রনিক , সে কারণে বলা হয়ে থাকে ইলেকট্রনিক কারেন্সি । কারেন্সি কি জিনিস এটা আমরা কমবেশি সকলেই বুঝি ।  কারেন্সি হলো  মুদ্রার নাম । বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন কারেন্সি প্রচলিত রয়েছে। সব কারেন্সির আলাদা আলাদা  মূল্য রয়েছে।  আমাদের বাংলাদেশের কারেন্সির নাম হল  টাকা ।  ঠিক একইভাবে ,  আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের  কারেন্সি রুপি । এছাড়া পশ্চিমা দেশগুলোতে বিভিন্ন ধরনের কারেন্সি প্রচলিত রয়েছে ।  তার ভিতরে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো  ডলার ।  এবং ঠিক এরপরের অবস্থানে রয়েছে ইউরো । আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ধরনের লেনদেনের ক্ষেত্রে সাধারণত  ইউএস ডলার  সবচেয়ে বেশি সংখ্যকবার ব্যবহার করা হয়েছে ।

যেকোনো দেশের কারেন্সি  , বেশি কিছু কারণে পরিবর্তিত হতে পারে ।  বিশেষত  ইতিহাসের বিবর্তন কালে  কারেন্সি গুলো সবচেয়ে বেশিবার  পরিবর্তিত হয়েছে ।  এই যেমন, একটা সময় ছিল  যখন  বঙ্গভূমির  কারেন্সি স্বর্ণমুদ্রা, কড়ি , রৌপ্য মুদ্রা  ইত্যাদি ।  কিন্তু বিবর্তনের ইতিহাসে তা ধীরে ধীরে বিবর্তিত হতে হতে কাগজের নোটের রূপ ধারণ করেছে ।  যার আমরা নাম দিয়েছি তা ।

একটা সময় যখন ইন্টারনেট ছিল না, তখন ইন্টারনেটে কিভাবে লেনদেন করা হবে সে সম্পর্কে কোন ঝামেলা ছিল না। মানুষ বাণিজ্যিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সাধারণত  নিজেদের দেশের অভ্যন্তরীণ কারেন্সি, অথবা ডলার অথবা ইউরো ব্যবহার করত ।  প্রতিটি কারেন্সির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার জন্য প্রত্যেকটি কারেন্সির মূল্যমান হিসাব করা হতো । যেমন বর্তমানে  আমাদের বাংলাদেশের ৮৫  টাকা সমান ( bitcoin bangladesh bank ) ইউএস ডলারের হিসেবে ১ ডলার ।

তবে বিপত্তি বাধল ঠিক তখনই যখন ইন্টারনেটের আবিষ্কার হলো ।  কেননা ইন্টারনেট আবিষ্কার হওয়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে ইন্টার্নেট ই কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো  বিস্তৃতি   লাভ করল ।  যার ফলে ধীরে ধীরে, একটি সার্বজনীন  কারেন্সির প্রয়োজন হল । এবং ঠিক এভাবেই হলো বিট কয়েন এর আবির্ভাব । ২০০৮  সালে সাতোশি নাকামোতো  নামের একজন জাপানি নাগরিক আবিষ্কার করলেন বিট কয়েনের । তবে বিট কয়েন নিয়ে খুব একটা মাথা ব্যথা ছিল না  সাধারণ মানুষের। এর ব্যবহারকারীর খুব কম ছিল । সে কারণে বাজারদর নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোন  মানুষ ছিল না ।  এর স্রষ্টা  সাতোশি নাকামোতো  বিটকয়েন নিয়ে খুব একটা মাথাব্যথা করতেন না ।  কেননা ও জানে কারেন্সি খুব একটা কেউ ব্যবহার করে না ।  তবে 2010 সালের পর থেকে  বিটক য়েনের ব্যবহার ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করলো । তখন কেবল মাত্র বিটকয়েনের আদান-প্রদান করার জন্য একটিমাত্র প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হতো ।  যার নাম ছিল বিটকয়েন ।  তবে পরবর্তীতে, বিটকয়েন আদান-প্রদান করার বেশকিছু প্লাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে ।

ইলন মাস্ক
Elon Reeve Musk FRS is an entrepreneur and business magnate. He is the founder, CEO, and Chief Engineer at SpaceX; early stage investor, CEO, and Product Architect of Tesla, Inc.; founder of The Boring Company; and co-founder of Neuralink and OpenAI. A centibillionaire, Musk is one of the richest people in the world. Wikipedia

বর্তমান সময়ে বিট কয়েন আদান-প্রদান করার  যে কয়েকটি প্ল্যাটফর্ম অর্থাৎ অ্যাকাউন্ট রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম কিছু হল ,

Ethereum

Dogecoin

Litecoin

এই নামগুলো ইন্টারনেটে আপনি একবার হলেও দেখে থাকবেন । কেননা বর্তমান সময়ে বিট কয়েন বাজার পরিচালনা করছে এই কয়েকটি প্রতিষ্ঠান । এদেরকে বিট কয়েন এর হর্তাকর্তা বলা যেতে পারে। যাই হোক আসল  কথায় ফিরি ।  ধীরে ধীরে বিস্তৃতি লাভ করতে শুরু করে  বিট কয়েন । এবং এর বাজার দরের কোন ধরনের নিয়ন্ত্রক না থাকার ফলে ধীরে ধীরে বিট কয়েন  সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো আচরণ শুরু করে । দূর থেকে  যেমন সমুদ্রের ঢেউ কথা বোঝা যায় না , ঠিক তেমনি পরবর্তী দিনগুলোতে বিটকয়েনের দাম কেমন থাকবে সে সম্পর্কে কোন ধারণা পাওয়া যায় না । মাঝেমধ্যে বিটকয়েনের দাম  লাগাম ছাড়িয়ে যায় , আবার মাঝেমধ্যে দেখা যাবে সিকি আনাও দাম নেই । এবং মূলত এই ব্যাপারটি নিয়ে বাধা বিপত্তি ।  কি বিপত্তি সে সম্পর্কে এখন আলোচনা করা যাক !

বিটকয়েন কি বাংলাদেশে বৈধ : বিটকয়েন যখন বিপত্তির কারণ :

bitcoin bd – bitcoin bangladesh bank :

এটা আমরা সবাই জানি যে আমাদের বাংলাদেশের কারেন্সির নাম হল টাকা । এই টাকা অর্থাৎ বাংলাদেশের কারেন্সি কে নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক । তবে, বিটকয়েন হল এমন এক ধরনের কারেন্সিজ  যেটিকে  নিয়ন্ত্রণ করার মতো এ যাবত পর্যন্ত কোন ব্যাংক খোলা  হয়নি ।  আমাদের দেশে যখন মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয় তখন বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করে সেই মুদ্রাস্ফীতি কে রোধ করার জন্য ।  যাতে মুদ্রাস্ফীতি কিছুটা হলেও এড়ানো যায় । তবে বিটকয়েনের মুদ্রাস্ফীতি হলেও দেখার কেউ নেই । যার ফলে অনেক সময় ওয়ালেটে বিট কয়েন রেখে  দিলে হয়তো দেখা যাবে , ক্ষণিকের মধ্যে এর বাজার দরের  দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার মত অবস্থা হয়েছে ।

বিটকয়েনের আরো একটি ভয়াবহতা জানলে হয়তো আপনি অবাক হতে বাধ্য হবেন ! সাধারণত মানুষ যে ধরনের বিট কয়েন একাউন্ট গুলো খোলা থাকেন এটি  কোন  স্থায়ী অ্যাকাউন্ট নয় ।  অর্থাৎ চাইলে এই একাউন্টের সকল ধরনের ইনফরমেশন মুহূর্তের মধ্যেই বদলে যেতে পারে । মুহুর্তের মধ্যে বলতে  একটি ট্রানজেকশন এর পরেই ।

মনে করুন আমি আপনার একাউন্টে এক বিট কয়েন সমপরিমাণ মুদ্রা পাঠালাম । কিছুক্ষণ পরেই আমার এবং আপনার উভয়ের  বিট কয়েন  একাউন্টের সকল ধরনের ডাটা এবং  ইনফর্মেশন  অথবা  অ্যাকাউন্ট নাম্বার বদলে যেতে পারে । সে কারণে যদি কেউ বিট কয়েন কেলেঙ্কারি করে থাকে তাহলে তাকে ধরার বিন্দুমাত্র কোন রাস্তা নেই।

সাইবার জগতে বহুল প্রচলিত একটি অপরাধের নাম হলো সাইবার জিম্মি । অর্থাৎ এখানে , সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট অথবা কম্পিউটার হ্যাক করার মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে  জিম্মি করে বসে। অর্থাৎ  মুক্তিপণ চায় । এবং সে ভুক্তভোগী যদি মুক্তিপণ দিতে অস্বীকৃতি জানায় তাহলে সেই ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট এর সকল ধরনের গোপনীয়তা অথবা কম্পিউটার এর গোপনীয়তা ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি জানানো হয় । একপর্যায়ে ভয়ে ছয়ে ভুক্তভোগী টাকা দিতে রাজি হয় ঠিকই ।  তবে হ্যাকাররা অতটা বোকা নই ।  তারা টাকা লেনদেন করার সময় বিট কয়েন কে ব্যবহার করে থাকে । যাতে পরবর্তীতে তাদের সকল ধরনের ইনফরমেশন বদলে যায় ,  এবং সাইবার পুলিশ তাদেরকে কোনমতেই ধরতে না পারে । সুতরাং আপনি চাইলে আইনি  পরামর্শ নিয়েও কোন ভাবে  হ্যাকার কে ধরতে পারবেন না ।

এবং ঠিক এই কারনে বেশ কয়েকটি দেশে বিট কয়েন কে বেআইনি এবং অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে ।  তার ভেতরে বাংলাদেশ অন্যতম ।  এবং যেহেতু বাংলাদেশে একটি  প্রগ্রেসিভ কান্ট্রি  সে কারণে কোনমতে দেশের মুদ্রা বাইরে পাচার না হতে পারে সেদিকে  যথাযথ সর্তকতা অবলম্বন করাটাই বাংলাদেশ ব্যাংক এর একমাত্র উদ্দেশ্য । এবং ঠিক এই কারনে বাংলাদেশের বিট কয়েন লেনদেন ,  বিটকয়েন কেনাবেচা , বিট কয়েনের মাধ্যমে শেয়ার মার্কেট , ট্রেডিং করা , ক্যাসিনো, ভার্চুয়াল মার্কেট  সকল জায়গাতে বিটকয়েন কে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে ।  এবং যদি কেউ বিটকয়েন লেনদেন করে থাকে তাহলে সেই ক্ষেত্রে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে ।

বিটকয়েনের দাম কত বা কেমন?

bitcoin to bdt – 1 bitcoin to taka :

বিটকয়েনের দাম নিয়ে  যথাযথ  সঠিক ভাবে কোন কিছু বলা যায় না ।  বিটকয়েনের দাম হয়তো গতকাল এক রকমের থাকতে পারে ,  আজকে এক রকমের থাকতে ,  আবার হয়তো পরশুদিন আরেক রকমের থাকতে পারে ।  সে কারণে ,  অনেকে বিট কয়েন কেনাবেচার মাধ্যমে বেশ  মোটা অংকের টাকা উপার্জন করে থাকেন।  অনেকটা জুয়া  খেলার মত । একটা সময় ছিল যখন এক বিটকয়েন সমান বাংলাদেশের ৩০০ টাকা বা তার আশেপাশে  দাম থাকত ।  তবে এখন  সেই ৩০০ টাকা , ৩০ লক্ষ টাকায় পরিণত হয়েছে ।  সচরাচর বাংলাদেশ বর্তমান সময়ে বিট কয়েনের দাম ৩  লক্ষ টাকা বা তার আশেপাশে থাকে । এই আর্টিকেলটি লেখা হচ্ছে , ২০২১ সালের ১৭ ই মে । আজকের দিনে বিট কয়েনের আনুমানিক দাম  প্রায় ৩৭৮৮৫৫৭.৩১ বাংলাদেশি টাকা ।

1 bitcoin to bdt :

কিন্তু দুইদিন আগেও বিট কয়েনের দাম ছিল মাত্র ৩০ লক্ষ টাকা। বিট কয়েনের দাম এমনভাবে সর্বদা উঠানামা করবে । এবং সে কারণে বিট কয়েনের হিসাবকে আরো সহজতর করার জন্য , বিট কয়েন টু ইউএসডি  হিসেব না করে  ইউএসডি টু  বিট কয়েন হিসাব করা হয় ।  যার ফলে হিসাব অনেকটা  সুবিধাজনক হয় । সুতরাং এখন নিশ্চয়ই সকলে বুঝে গিয়েছেন ,  বিট কয়েনের দাম আগামীকাল কত যাবে সে সম্পর্কে খুব একটা অনুমান করা যায় না ।  তবে বর্তমান সময়ে , বিট কয়েন এনালাইজার নামের এক ধরনের বিশ্লেষক দল রয়েছে  যারা কিনা প্রতিনিয়ত আগামী  দিন গুলোতে বিট কয়েনের দাম কেমন যাবে সেই সম্পর্কের  প্রতিনিয়ত বিশ্লেষণ করে চলেন । এবং তাদের উপর ভরসা করে , বড় বড় ইনভেস্টররা শেয়ার মার্কেটে বিটকয়েন ইনভেস্ট করেন ,  অর্থাৎ বিট কয়েনের বাজি ধরেন। যার ফলে অনেকে  খইয়ে ফেলেছেন সর্বোচ্চ ।

বিটকয়েন কিভাবে কাজ করে

বিটকয়েন্স একদমই অকর্ম কিছু তা নয় । বিট কয়েনের মাধ্যমে , সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন ধরনের  আর্থিক  লেনদেন হয়ে থাকে । বিশেষ করে আমাদের বাংলাদেশে  যারা ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করেন ,  তাদের ভেতর অনেকেই  বিট কয়েন ক্যাশ ট্রানস্যাকশন সিস্টেম হিসেবে বেছে নেন । কেননা হয়তো তাদের কাছে পেপাল ,  বা অন্য কোন ইন্টারন্যাশনাল ইলেকট্রনিক ট্রান্সজেকশন সিস্টেম নাই । এবং বাংলাদেশ থেকে এগুলো কে পরিচালনা করা খুবই কষ্টসাধ্য ।

সে কারণে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মানি ট্রাঞ্জজেকশন প্ল্যাটফর্ম পেপাল সীকৃতি পায়নি । সে কারণে প্রায়ই আমাদের দেশের ফ্রিল্যান্সারদের  স্কিল  থাকা সত্বেও টাকা উত্তোলন করার জন্য  কত কিছুই না করতে হয়। বিট কয়েন ইনভেস্টমেন্টে সবার যে লোকসান হয়েছে তা নয় । অনেকে এখান থেকে প্রচুর লভ্যাংশ পেয়েছে । যা অনেকের ভাগ্য বদলে দিয়েছে ।

এখন কিছু বিটকয়েন রয়েছে আমার কাছে , এই পরিস্থিতিতে আমি কি করতে পারি ?

বিটকয়েন অনেকটা আশরাফী স্বর্ণমুদ্রার মত ।  যদি, কোনভাবে প্রশাসন অবগত হতে পারে যে আপনার কাছে আশরাফী স্বর্ণমুদ্রা রয়েছে তাহলে সেগুলো আপনার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হবে। এবং তার বদৌলতে আপনাকে হয়তো অর্থদণ্ড দেয়া হতে পারে। বিটকয়েন কিছুটা এমন ।  অনেক সময় যদি কোনভাবে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ,  ইনভেস্টিগেটর ,  অথবা কোনো গোয়েন্দা সংস্থা জানতে পারে আপনার কাছে মোটা অঙ্কের বিটকয়েন রয়েছে তাহলে তারা আপনাকে সাথে সাথে গ্রেপ্তার করবে ।

এ সম্পর্কে বাংলাদেশের সম্প্রতি একটি আইন জারি করা হয়েছে । সুতরাং আপনার কাছে যদি বিট কয়েন থেকে থাকে তাহলে যত দ্রুত সম্ভব সে গুলোকে বিক্রি করে দিন । এটি আমার তরফ থেকে সবচেয়ে সদুপদেশ ।  এবং আপনি যদি প্রথম বার জেনে থাকেন বাংলাদেশ বিটকয়েন লেনদেন আদান-প্রদান ,  অথবা ক্রয়-বিক্রয় করা বেআইনি তাহলে সে ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব বিট কয়েন গুলো বিক্রি করে দিন ।

বিটকয়েন কিভাবে বিক্রি করব ? বিটকয়েন থেকে বিকাশ – bitcoin to bkash

bitcoin to taka:

বিট কয়েন বিক্রি করার বেশ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে ।  এদের কাছে আপনি চাইলে আপনার বিট কয়েন একাউন্ট থেকে  তাদের কাছে বিট কয়েন বিক্রি করে দিতে পারেন । বিনিময় আপনাকে বাংলাদেশের মুদ্রায়  টাকা দেওয়া হবে । বিটকয়েন একাউন্ট থেকে বিকাশের লেনদেন করার জন্য আপনি চাইলে নিচের ওয়েব সাইট লিঙ্ক গুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন । এই ওয়েবসাইট গুলোর মধ্যে সবকটি ট্রাস্টেড ।

best bitcoin earning site – buy bitcoin in bangladesh :

Paxfull

বিটকয়েন কেনাবেচা করার জন্য এটি বর্তমানে  সবচেয়ে ট্রাস্টেড সাইট । আপনি চাইলে বিট কয়েন বিক্রির মাধ্যমে প্রাপ্য টাকা  বিকাশ সহ আরো নিরানব্বইটি পেমেন্ট মেথড এর নিতে পারবেন ।

Takawallet

বিটকয়েন ১

এ সাইটটি বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের বিট কয়েন কেনাবেচা করার জন্য সবচেয়ে ট্রাস্টেড একটি সাইট । জানা যায় এ সাইটটি প্রতি মিনিটে ৬০  টির অধিক আদান-প্রদান সম্পন্ন করে ।  সে কারণে তাদের রয়েছে নিজস্ব একটি অফিস । বিট কয়েন কেনাবেচা করার জন্য আপনার একাউন্টে সর্বনিম্ন 500 টাকার সমপরিমাণ বিটকয়েন থাকতে হবে । এবং বর্তমানে এই সাইটটি সবচেয়ে বেশি দামে  তাদের বিক্রেতাদের কাছ থেকে বিট কয়েন কিনে থাকে ।

একই সাথে খুব দ্রুত  কার্যকর হয় সবকটি ট্রানজেকশন ।

Bdcoinex

বিডিকোইনেক্স  টাকা ওয়ালেট এর মত আরেকটি বাংলাদেশের ট্রাস্টেড সাইট ।  এমনকি আমি ব্যক্তিগতভাবে এটি অনেক রিকমান্ড করি । ট্রানস্যাকশন নিয়ে হবে না বিন্দুমাত্র কোন ঝামেলা । ট্রানজেকশন রিকুয়েস্ট পাঠানোর মাত্র 5 থেকে 10 মিনিটের মধ্যে এক্সেপ্ট করে  বিডিকোইনেক্স । এবং একই সাথে সেখানকার এমপ্লয়ারদের কাছ থেকে খুব ভালো ব্যবহার পাবেন ।চাইলে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন whatsapp-এ ।

তবে এতো সুযোগ সুবিধা থাকা শর্তেও টাকা ওয়ালেট এর মত খুব একটা সফলতা অর্জন করতে পারেনি বিডিকোইনেক্স ।   কেননা এখানে তুলনামূলক রেট টাকা ওয়ালেট এর চেয়ে কিছুটা কম । বিডিকোইনেক্স প্রতি মিনিটে প্রায় ত্রিশ বা তার বেশি  ট্রানজেকশন করে থাকে । যার ভেতরে বেশিরভাগই  বিটক য়েন সম্পর্কিত । এখানে চাইলে আপনি বিট কয়েনের মোট ৩০  টি বা তারও অধিক অ্যাকাউন্ট থেকে ট্রানজেকশন করতে পারবেন ।

বিটকয়েন এবং ইলন মাস্ক উক্তি

ইলন মাস্কের নাম শোনেননি এমন মানুষ হয়তো পৃথিবীতে খুব কমই খুঁজে পাওয়া যাবে ।  বিট কয়েনের সাথে তার একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে ।  অবশ্য সেই সম্পর্কটি  মিষ্ট নাকি তিক্ত  সেটা বোঝা মুশকিল ।  কেননা বিট কয়েনের হাত ধরে  ইলন মাস্কের অনেক সফলতা এসেছে এবং একইসাথে নেমে এসেছে দুর্দশা !

অনেক সময় বিট কয়েন পাগল বলা হয়ে থাকে তাকে । বিট কয়েন একাধারে পেপাল, স্পেস এক্স  এবং টেসলা মটরস এর প্রতিষ্ঠাতা । সম্প্রতি সময়ে  ইলন মাস্ক তার একটি  টুইটে বলেছে , এখন থেকে  গাড়ির ক্রেতারা চাইলে  টেসলা মোটরসাইকেল কেনার সময় ব্যবহার করতে পারবেন বিটকয়েন ।

এছাড়া  ইলন মাস্ক সম্প্রতি সময় এক বিবৃতিতে বলেছে বিট কয়েনের পাশাপাশি আরো অন্য সকল ইলেকট্রনিক কারেন্সি যোগ করা হবে তার সকল প্রতিষ্ঠান সাথে । তবে সম্প্রতি সময়  ইলন মাস্কের সাথে বড় একটি বিট কয়েন কেলেঙ্কারি জড়িত হয়ে পড়েছে । সেটি হল বিট কয়েন শেয়ারবাজার মার্কেটে   ধবস । যার ফলে কপাল পুড়েছে ইলন মাস্কের ।  আজ থেকে প্রায় তিন মাস পূর্বে ও বিশ্বের ধনী ব্যক্তি তার ভেতরে শীর্ষ তালিকায় অবস্থান করেছিলেন তিনি । তবে বিটকয়েন কেলেঙ্কারির পর পুনরায় জেফ বেজোস কে অবস্থান ফিরিয়ে দেন ইলন মাস্ক ।

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি বিটকয়েনের অধিকারী কে?

বিট কয়েন নামের এই অদ্ভুত এক ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে সকলেরই এক ধরনের কৌতূহল এবং প্রশ্ন কাজ করে ।  সেই প্রশ্নগুলোর ভেতরে অন্যতম হলো বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি বিটকয়েনের অধিকারী কে? প্রশ্নের উত্তরটি আমারও জানা ছিল না,  সে কারণে এই আর্টিকেলটি লেখার সময় আমি গুগল করেছি ।  এবং গুগল করার পর খেয়াল করলাম বিশ্বের সবচেয়ে বিটক য়েনের অধিকারী ব্যক্তিটি হল বিটকয়েন এর প্রতিষ্ঠাতা সাতোশি নাকামোতো । কার কাছে বর্তমানে ১.১ মিলিয়ন বিটকয়েন রয়েছে ।

মার্কিন ডলারের হিসেবে তার কাছে বর্তমান সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১৮১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার । এবং বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় তার অবস্থান বর্তমানে ৫৬ তম। তবে বর্তমান সময়ে তিনি সবচেয়ে বেশি বিট কয়েনের অধিকারী হলেও ,  সবচেয়ে বেশি বিট কয়েন ইনভেস্ট করেছেন বিট কয়েন পাগল ইলন মাস্ক । ইলন মাস্ক প্রায় সময় স্রোতের বিপরীতে চলা পছন্দ করে ।  যেখানে বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষ ধনীর বিট কয়েন  আদান-প্রদান ,  শেয়ার মার্কেট  সহ  অন্য কার্যক্রম বন্ধ করার দাবিতে কাজ করে চলেছেন সেখানে গতানুগতিক ইলন মাস্ক বিটকয়েনের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছেন।

ভারত উপমহাদেশে কে সবচেয়ে বেশি বিট কয়েনের অধিকারী ?

জানা যায় ভারত উপমহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিটকয়েনের অধিকারী Alma mater নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র । তার কাছে বর্তমান সময়ে যে পরিমাণ বিটকয়েন রয়েছে তার বর্তমান বাজারমূল্য গিয়ে দাঁড়াবে প্রায় ১.৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার । সে বর্তমানে মহাত্মা গান্ধী মিশন কলেজে ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি ডিপার্টমেন্টের একজন ছাত্র । এবং একই সাথে একজন বিটকয়েন  মাইনার । সম্প্রতি সময়ে বিটকয়েন মাইন  করার জন্য তিনি একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন যার নাম GB Miners and Amaze Mining and Research Limited

তবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বিট কয়েনের অধিকারী কে সে সম্পর্কে কখনো হয়তো অবগত হওয়া যাবে না ।  কারণ কেউ চাইবে না যেচে আইনের হাতে ধরা দিতে ।

আমাদের নতুন সাইট Tech news trend

বিটকয়েন কি হালাল নাকি হারাম ?

বিটকয়েন কি হালাল ?

আমরা যারা  মুসলিম ধর্মালম্বী  তারা সভাপতি হালাল-হারামের ব্যাপারটি খুব গুরুত্ব সহকারে বিশ্লেষণ করি ।  বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে অনেক ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটি প্রয়োগযোগ্য হয়েছে ।  এবং যত দিন যাচ্ছে এর প্রয়োগ  তত বৃদ্ধি পাচ্ছে । সুতরাং স্বভাবতই আমাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে বিট কয়েন ইসলামের  দৃষ্টিতে  হালাল নাকি হারাম?

এ সম্পর্কে সম্প্রতি সময়ে তুরস্কের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, মিসরের কেন্দ্রীয় ফতোয়া বিভাগ, ফিলিস্তিনের কেন্দ্রীয় ফতোয়া বিভাগ, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগ ও ইসলামিক ইকোনমিক ফোরাম নামক ইসলামিক স্কলারদের একটি অনলাইন গ্রুপ একটি বিবৃতি প্রদান করেছেন । যেখানে বলা হয়েছে , বিট কয়েন হলো এক ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি ।  ক্রিপ্ত অর্থ হলো গোপন ,  এবং কারেন্সি অর্থ হল অর্থ টাকা ,বা মূল্য । বিটকয়েন নিয়ন্ত্রণ করার মতো এ যাবত পর্যন্ত কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে ।  সে কারণে বিটকয়েনের দাম প্রতিনিয়ত   বাড়তে  বা কমতে শুরু করেছে ।  যার ফলে এটিকে অনেকাংশে যার সাথে তুলনা করা হয় । যার ফলে ইসলাম এটিকে কোনমতে কখনোই সমর্থন দেয় না ।

একই সাথে বিট কয়েন নামক এই ইলেকট্রনিক কারেন্সি ব্যবহার করে বেশ কিছু অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটানো সম্ভব । যা কিনা আর্টিকেল এর শুরুতে বলা হয়েছে ।  সুতরাং ইসলাম কখনোই সেই জিনিস কে সমর্থন করবে না যার মাধ্যমে কোন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সৃষ্টি হতে পারে ।  সে কারণে বিট কয়েন এখনো ইসলামের সমর্থন পায়নি । তবে এটি কেবলমাত্র তখনই সমর্থন পাবে যখন এর বাজারদর নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে ,  এবং একই সাথে লেনদেনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে । শুধু বাংলাদেশ নয় ,  বিশ্বের  এমন কোনও দেশ নেই যেখানে  সরকারিভাবে সমর্থন পেয়েছে বিট কয়েন ।  কেবলমাত্র পুঁজিবাদী দেশগুলোতে , বিট কয়েন ব্যবহার হতে শুরু হয়েছে ।

সুতরাং বিটকয়েন যেমন একই সাথে ইসলামের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ তেমনি,  বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কিত আইন বিটকয়েনকে সমর্থন করে না ।

শেষ কিছু কথা!

যদিও বিটকয়েন ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে হারাম এবং একই সাথে বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কিত আইন অনুযায়ী , বাংলাদেশ সরকার এখনও বিটকয়েন কে সমর্থন করেনি  তবুও বিটকয়েন এর প্রয়োজনীয়তা  কিন্তু রয়ে যায় ।  বিশেষ করে যারা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজ করেন তাদের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি ।  এমনকি বিট কয়েনের ওপর অনেক মানুষের জীবিকা নির্ভর করে । বিটকয়েন শেয়ার মার্কেটিং ইনভেস্ট করার মাধ্যমে অনেক মানুষের পেট চলে ।  বিটকয়েনের কোন   নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান না থাকলেও,  বিটকয়েন কে কেন্দ্র করে বর্তমান সময়ে অনেক কর্মসংস্থান গড়ে উঠেছে । ওই আর্টিকেলে উল্লেখ করা হয়েছে বিটকয়েন কে কেন্দ্র করে ভারতের সবচেয়ে বেশি বিটকয়েনের অধিকারী , Alma mater একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন যার  নাম , GB Miners and Amaze Mining and Research Limited জেনে অবাক হবেন এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করে পাঁচ হাজারেরও বেশি কর্মচারীর ।  এবং একই সাথে তাদের বেশ কয়েকটি শাখা অফিস রয়েছে । সুতরাং সে কারণে জীবিকার দায় অনেকাংশে নির্ভর থাকতে হয়  বিটকয়েনের ওপর । ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটগুলোতে কাজ শেষে যখন ক্লায়েন্ট নিজেদের প্রাপ্য সম্মানী  দেওয়ার জন্য কয়েনবেস ওয়ালেট অর্থাৎ বিটকয়েন ওয়ালেট ব্যবহার করতে বলে তখন সে ক্ষেত্রে হাত-পা বাঁধা থাকে ।  কেননা প্রাপ্য মজুরি তো পেতে হবে !

তবে, হ্যাঁ  আদৌ যদি আপনার এই ক্রিপ্টোকারেন্সি এর কোন কাজ না থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে ভুলেও এটি  লেনদেন   করতে  যাবেন না । কেননা বিভিন্ন ধরনের মাদক দ্রব্য এবং অবৈধ দ্রব্য আদান-প্রদান করতে গিয়ে একজন মানুষকে যেমন হাজত খাটতে হতে পারে ,  ঠিক তেমনি বিট কয়েন আদান-প্রদান করতে গিয়ে বা আপনার কাছে বিটকয়েন রয়েছে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য  পেলে  প্রশাসনের দৃষ্টি তে আপনার নামের পাশে একটি লাল কালি পড়ে যাবে । সুতরাং নিজের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে কখনো এ ধরনের  কার্যকলাপ ঘটানোর চিন্তা মাথায় আনবেন না ।  এবং একই সাথে আরেকটি গোপন কথা আপনাদের কে জানিয়ে দেই ,  যদি আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন , এবং বিটকয়েন আদান-প্রদান করা আপনার  জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে থাকে  তাহলে অবশ্যই  বিটকয়েন আদান প্রদানের এই ব্যাপারটি অন্য কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না । বলা যায়না কে কখন শত্রুকে এসে আপনার কাছে উপস্থিত হতে পারে তা হয়তো আপনিও জানেন না ।

এতক্ষন আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ । এমন তথ্য বহুল আর্টিকেল পড়তে আমাদের ওয়েবসাইটের সাথেই থাকুন ।  আপনার সুস্থতা কামনা করি,  ধন্যবাদ !

7 thoughts on “বিটকয়েন ওয়ালেট কি ? বিটকয়েন কি বাংলাদেশে বৈধ বিস্তারিত জেনে নিন”

Leave a Comment