?> ফ্রিল্যান্সিং কি ? কিভাবে শুরু করব ? - Tech News Trend

ফ্রিল্যান্সিং কি ? কিভাবে শুরু করব ?

বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং  তরুণ সমাজের কাছে অতি পরিচিত একটি নাম । ফ্রীল্যান্সিং  কি সে সম্পর্কে তরুণ সমাজের মোটামুটি একটা ধারণা রয়েছে ।  অনেকে ফ্রীল্যান্সিং  করে নিজেকে স্বাবলম্বী করে তুলেছে আর ।  এমনকি অনেক বেকার সম্প্রদায়  ফ্রীল্যান্সিং   শিখে  মাসে লাখ টাকা ইনকাম করছে । 

 

 বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশে ফ্রিল্যান্সিং  এর ধারণা  বয়োজ্যেষ্ঠদের হাত ধরে আসলেও ,   আমাদের দেশে এর মূল রূপকার তরুণ সমাজ ।  বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে দিন যত যাচ্ছে বেকার  সম্প্রদায় পরিমাণ  তত বৃদ্ধি পাচ্ছে । এবং এই বেকার সম্প্রদায়ের মধ্যে  এক  সম্প্রদায় রয়েছে যারা কিনা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষিত । তবে তার পরও এদেরকে বেকারত্বে আচ্ছন্ন থাকতে হচ্ছে কেবলমাত্র ,  দেশে যথোপযুক্ত কর্মসংস্থান না থাকার ।  সে কারণে বহু পূর্বে থেকে সরকারপ্রধানদের টার্গেট ছিল একটি মুক্ত কর্মসংস্থান প্রতিষ্ঠা করা ।  যেখানে কিনা ,  চাইলে যে কেউ কাজ করে আয় করতে পারবে । তবে সেটি সম্ভব হচ্ছিল না! কেননা তখনও ফ্রীল্যান্সিং  এর ধারণা আমাদের দেশের  কারোরই মাথায় আসেনি । 

 

কিন্তু 2010 সালের দিকে  যখন ইন্টারনেট সহজলভ্য হলো , তখন জানতে পারা গেল এক মুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যাপারে । অনলাইন ফির থেকে কর্মসংস্থানের সবকিছু ভার্চুয়াল । ভার্চুয়াল হলে ,  আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে রয়েছে যথেষ্ট নিরাপত্তা । এটার নাম নাকি ফ্রীল্যান্সিং  ! ব্যাস ! ঠিক সেই সময় টা থেকে ফ্রীল্যান্সিং  যেন এক স্বপ্নের কর্মস্থল । যেখানে কিনা ,  কর্মী চাইলে নিজ বাসস্থানে থেকে  কাজ করতে পারবে  দ্বিধাহীনভাবে । তাহলে এবার ফ্রিল্যান্সারের সংজ্ঞাটা দেওয়া যাক ! 

 

Table of Contents

ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কেন ? what is freelancing ?

ফ্রিল্যান্সিং  অর্থ হলো  স্বাধীন ভাবে কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান আয়তায় কাজ না করে অথবা কোন প্রতিষ্ঠান আয়তায় স্বাধীনভাবে কাজ করা । এটির  সেক্টরে এর মূল কাজ হচ্ছে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের কাজগুলো যথাসময়ে যথাযথ ভাবে সম্পন্ন করা । এই কাজগুলো  সাধারণত অধিকাংশ ভার্চুয়াল হয়ে থাকে । একটা সময় ছিল যখন ফ্রীল্যান্সিং  এর সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলা হত , ফ্রীল্যান্সিং  হলো স্বাধীনভাবে কোন একটি প্রতিষ্ঠানের আওতাভুক্ত হয়ে অথবা কোন একটি প্রতিষ্ঠান আওতায় স্বাধীনভাবে বিদেশী ক্লায়েন্টদেরও কাজ করে দেওয়া । তবে বর্তমান সময়ে  সংজ্ঞাতে  কিঞ্চিৎ পরিবর্তন এসেছে । এখন শুধু ফ্রিল্যান্সাররা বিদেশের কাজই করেন না ,  তার পাশাপাশি নিজ দেশের ক্লায়েন্টের কাজ সম্পন্ন করেন । তবে বিদেশের ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ করলে একটি বড় ফ্যাসিলিটিজ রয়েছে ।  সেটি হল ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায় ।  স্বভাবতই বাইরের দেশগুলোতে মুদ্রার দাম অনেক বেশি থাকে । এবং একইসাথে  ফ্রি ল্যান্সিং এর টাকা ব্যাংক ট্রান্সফার করা হয়  বিধায় ফ্রিল্যান্সারদের আইন নির্দিষ্ট অংশ দিয়ে যোগ হয় বাংলাদেশের রাজস্ব খাতে । যার ফলে যেমন একদিকে দেশে বেকারত্ব দূর হয় অপরদিকে দেশ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয় । 

 

এখনো যাদের ফ্রীল্যান্সিং সম্পর্কে  ভালোভাবে ধারণা হয়নি তাদের জন্য একটি উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে ! 

 

মনে করুন, দেশ অথবা বিদেশের একজন ক্লাইন্টের “গোরুর রচনা” লিখবার জন্য লোক প্রয়োজন , তাই সে ফ্রীল্যান্সিং  সেক্টর এসে ,  রচনাটি লিখবার জন্য কিছু লোকের অনুসন্ধান করল ,  বিজ্ঞাপন দিল আর কি ! একই সাথে রচনা লেখা হলে সর্বোচ্চ কি পরিমান পে করা হবে অর্থাৎ তার বাজেট যুক্ত করে দেওয়া হলো । 

 

এখন এই বাজেটের মধ্যে যাদের  পোষাবে তারা সেখানে আবেদন করতে পারবে । অতঃপর সেই ব্যক্তি আবেদনকারীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কাজ দিয়ে থাকে ।  

 

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং

 

অনেকেই জানতে চান   ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর মধ্যে পার্থক্য কি ।  ফ্রীল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং এর মধ্যে তেমন আহামরি কোনো পার্থক্য নেই । তবে হ্যাঁ কিছু ক্ষেত্রে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় । যেমন ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে  কেবলমাত্র  ফ্রিল্যান্সিংয়ের যে  প্ল্যাটফর্ম রয়েছে ,  সেই প্ল্যাটফর্মের মালিকানাধীন থেকে ঠিকাদার ফ্রিল্যান্সার কে টাকা দিয়ে থাকে । কিন্তু আউটসোর্সিং এর ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম রয়েছে ।  এখানে মূলত ঠিকাদারি ফ্রিল্যান্সারকে কাজ নিয়ে থাকে এবং ঠিকাদারি ফ্রিল্যান্সারকে পে  করে থাকে । আউটসোর্সিং করার জন্য যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠান আওতাভুক্ত হয়ে অথবা একজন ক্লায়েন্ট এর আওতাভুক্ত হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে হয় । এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে কাজটা সমসাময়িক । আমাদের দেশে মূলত যারা দেশে থেকে দেশের বাইরে বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির কাজ করে থাকে তারা মূলত ফ্রীল্যান্সিং করে না আউটসোর্সিং করে । এবং এটি মূলত ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং এর মধ্যে মূল পার্থক্য ।  আশা করি সকলের কাছে তা স্পষ্ট হয়েছে ! 

 

এখন প্রশ্ন আসতে পারে কোন সেক্টরে কাজ করাটা সবচেয়ে বেশি সুবিধাজনক ।  ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং ?  দুইটি বেশ লাভজনক ।  তবে আমি আপনাকে  রিকমেন্ড করব ফ্রিল্যান্সিং ।  কেননা ফ্রিল্যান্সিং সাইটে আপনি চাইলে মুক্তভাবে কাজ করতে পারবেন ।  কাজের ভেতরে স্বাধীনতা থাকবে । একমাত্র আউটসোর্সিং সেক্টরে আপনি তখনই কাজ করতে পারবেন যখন আপনি যে প্লাটফর্মে কাজ করছেন ,  সেটি যেন বেশ  স্বয়ংসম্পূর্ণ হয় । ইতিপূর্বে আমি বলেছি আমাদের দেশের অনেক যুবক  দেশের বড় বড় multi-millionaire সাইটে কাজ করছে । এবং শুধু আমাদের দেশেই নয় বাইরের দেশগুলোতে এটি খুবই স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে ।  এখন আর কাজ করার জন্য বড় বড় অফিস দালান নির্মাণ করতে হয় না । সবাই ভার্চুয়াল  হয়ে কাজ করতে পারেন । এবং এভাবে কাজ করার মধ্যে এক ধরনের স্বতঃস্ফূর্ততা  অনুভব করতে পারবেন । ঘরে বসে কাজ করতে পারবেন সে কারণে কাজ করার কোন  সময়সীমা বাধা থাকবে না ।  আশা করি আউটসোর্সিং সম্পর্কে আপনার ধারণা পেয়েছেন ।  

 

ফ্রিল্যান্সিং কোর্স – ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চাই , কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখবো ? how to learn freelancing in bangladesh

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে সেক্ষেত্রে আপনাকে  একটি ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করতে হবে । ফ্রিল্যান্সিং কোর্স হল এমন এক ধরনের কোর্স যেখানে মূলত বিভিন্ন ধরনের ব্লগ এবং ভিডিও টিউটোরিয়াল এর মাধ্যমে একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি ফ্রিল্যান্সিং এর প্রাথমিক ধারণা থেকে শুরু করে ,  কাজ পাওয়া ,  এবং অতঃপর সেই কাজ কিভাবে সম্পন্ন করতে হয় এই সকল কিছু সম্পর্কে  সম্পর্কের বাস্তবিক এবং সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়া । ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কেবল একটি কাজ থাকেনা ।  সেখানে বেশ কয়েকটি কাজ থাকে ! কনটেন্ট রাইটিং করেন  অনেকে, আবার অনেকে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং করেন ,  অনেকে ওয়েবসাইট  বিল্ট করেন , অনেকে হয়তো এস ই ও এক্সপার্ট তারা এসইও করেন । অর্থাৎ যারা যে কাজে পারদর্শী মূলত তারা সে কাজ করে থাকেন । এবং আপনার যদি এসকল কিছু  সম্পর্কে অভিজ্ঞতা একদমই না থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে করে নিতে পারেন একটি ফ্রিল্যান্সিং কোর্স । ফ্রিল্যান্সিং কোর্স মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে । 

 

পেইড এবং ফ্রী !

 

পেইড ফ্রিল্যান্সিং কোর্স ফ্রী ফ্রীলান্সিং কোর্স এর তুলনায় অনেক কার্যকর ।  কেননা এটা আমরা সবাই জানি সস্তার ১২  অবস্থা ! একবার যদি আপনি কাজ শিখে ফেলতে পারেন  তাহলে এবার সময় এসেছে ফ্রিল্যান্সিং সাইট অর্থাৎ ফ্রীলান্সিং প্ল্যাটফর্মের যোগদান করার । ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে নতুন যোগদান করার পর হয়তো কাজ পেতে কিছুটা বেগ পেতে হতে পারে ।  তবে একবার যদি আপনি আপনার ক্লায়েন্টকে সন্তুষ্ট করতে পারেন তাহলে সেক্ষেত্রে আপনার  পরবর্তী পথ  অনেকটা সুগম হবে । এরপর আপনি যত কাজ করবেন তত কাছে অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন ।  এবং ততই আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার মজবুত এবং দৃঢ় ভাবে গড়ে উঠবে । আমাদের বাংলাদেশে অনেকে রয়েছে যারা ইতিমধ্যে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার  এ সফলতা অর্জন করেছে । 

 

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করব : how to start freelancing ?

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করব এর মূলত  কোন সহজ উত্তর নেই । ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে অনেক ধরনের কাজ রয়েছে ।  যেমন , লেখা লেখি, ডেটা এন্ট্রি, প্রোগ্রামিং, মার্কেটিং, টাইপিং, ডিজাইনিং, ইমেজ এডিটিং, প্রেজেন্টেশন তৈরি, ডেভেলপমেন্ট, ভার্চুলাল এসিস্ট্যান্ট সহ অনেক কিছু। সুতরাং আপনি এই কাজগুলোর ভেতরের জেটিতে অভিজ্ঞ সেটি দিয়ে শুরু করতে পারেন । অভিজ্ঞ হতে হবে না কেবলমাত্র একটুখানি প্রাইমারি কনসেপ্ট থাকলে সেটি দিয়ে শুরু করতে ।  যে কাজকে আপনি প্রকাশ করেছেন সেই কাজের ওপর বিভিন্ন ধরনের টিউটোরিয়াল দেখতে থাকুন ।  প্রত্যেকটি কাজের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে কোর্স দেওয়া হয় । এছাড়াও ইউটিউব থেকে দেখে নিতে পারেন ফ্রি টিউটোরিয়াল । ফ্রি টিউট্রিয়াল কোনো অনেক সময়  পেইড টিউটরিয়ালের তুলনায় বেশি সহায়ক হয় । 

 

আপনি যদি একদমই নতুন ফ্রিল্যান্সিং  সেক্টরে কাজ শুরু করেন তাহলে সেই ক্ষেত্রে আমার পরামর্শ হবে,একজন অভিজ্ঞ লোকের  সাহায্য নেওয়া ।  আপনি চাইলে ফেসবুকে তার শরণাপন্ন হতে পারেন ।  অথবা আপনার যদি চেনা জানা  প্রিয় জন বা বড় ভাই বোন থাকে  তাহলে তার সহায়তা নিতে পারেন । ফ্রিল্যান্সিংয়ে প্রত্যেকটি কাজের এক্সটার্নাল কনসেপ্ট এক । অর্থাৎ ভালো একটি বিড নির্ধারণ করা, ক্লাইন্টকে ঠিকমতো কাজ বুঝিয়ে দেওয়া  ইত্যাদি ।  এবং বাকিটা নির্ভর করছে আপনি যে কাজে অভিজ্ঞ তার ওপরে । একই সাথে আরেকটি জিনিস মনে রাখতে হবে ! ফ্রীল্যান্সিং করতে হলে ইংরেজির সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা থাকতে হবে ।  কমসেকম ইংরেজির  বেসিক পার্ট গুলো শিখে নিতে হবে । কেননা  ইংরেজি ভাষা এবং ইন্টারনেট এ দুইটি জিনিসের ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর এবং  আউটসোর্সিং । 

 

ফ্রিল্যান্সিং সাইট ও ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

ফ্রিল্যান্সিং

 

 

 এতক্ষণ যা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরগুলোর কথা বলে আসলাম ,  এগুলোকে সহজ ভাষায় বলতে গেলে বলা হয় ফ্রিল্যান্সিং সাইট ।  ইন্টারনেটে  অনেক ফ্রিল্যান্সিং সাইট গড়ে উঠেছে । চলুন এক নজরে তারই মত কিছু ফ্রিল্যান্সিং সাইট সম্পর্কে আলোচনা করা যাকঃ 

 

 Fiverr.com

 

বর্তমান সময়ে   Fiverr.com সব শ্রেণীর ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বিশেষ করে  বিগেনারদের জন্য একটি উপযুক্ত ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম । 2010 সাল থেকে আপওয়ার্ক তাদের কার্যক্রম শুরু করে । এটি মূলত একটি ইসরাইলি প্রতিষ্ঠান । যেটি 2010 সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে  এবং 2015 সালে বিশ্ব বাজারে আত্মপ্রকাশ করে ।  এটি গড়ে উঠেছিল আমেরিকায় । তবে জাতিগতভাবে এটি একটি ইসরাইল প্রতিষ্ঠা ।  বর্তমান সময়ে প্রতিষ্ঠান দিক থেকে অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলমান  মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে এদের স্টক প্রাইস প্রায় ১৭১  ডলার । 

 

Upwork.com

 

Upwork.com ,  Fiverr.com  এর মত এটিও  বিশ্বের অন্যতম একটি  ফ্রীলান্সিং প্ল্যাটফর্ম । এ যাবত পর্যন্ত যত কঠিন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম রয়েছে তার মধ্যে  কেবলমাত্র এই প্ল্যাটফর্মের সবচেয়ে বেশি ক্যাটাগরির কাজ রয়েছে । এটি মূলত একটি আমেরিকান প্রতিষ্ঠান ।  2015 সালে সর্বপ্রথম এটি বিশ্ববাজারে আত্মপ্রকাশ করে ।  অবশ্য  এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে 2013 সালে ।  এটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন  Srini Anumolu 

Upwork.com সর্বপ্রথম একটি মাইক্রো জব সাইট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও পরবর্তীতে এটি ফ্রীল্যান্সিং সাইট হিসেবে  নিজেদের কে প্রতিষ্ঠা করেন । এবং ধারণা করা হয় এটি সর্বপ্রথম ইন্টারনেটে মাইক্রো জব সাইট । এবং মাইক্রো জবস এর কাজগুলো ঝঞ্ঝাটমুক্ত হওয়ার কারণে খুব অল্প সময়ের মধ্যে এটি সকলের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করে । পিকো ওয়ার্ক নামের আরেকটি  মাইক্রো  জব সাইট গড়ে উঠেছে upwork.com এর আন্ডারে । বর্তমানে upwork.com এ বাংলাদেশের  প্রায় সাড়ে ৩  মিলিয়ন  ফ্রিল্যান্সার কাজ করে । এবং upwork.com থেকে বাংলাদেশের রাজস্ব সবচেয়ে বেশি পরিমাণে অর্থযোগ হয় ।  এর বর্তমান   সি ই ও  Hayden Brown জানিয়েছে খুব অল্প সময়ের ভিতর বাংলাদেশে তাদের নিজস্ব ব্যবসা স্থাপন করবে upwork.com 

 

Freelancer.com 

 

 freelancer.com হলো সর্বপ্রথম সফল ফ্রিল্যান্সিং সাইট ।  অবশ্য এর পূর্বে অনেক ফ্রিল্যান্সিং সাইট গড়ে উঠেছিল তবে freelancer.com এর মত সফলতা অর্জন করতে পারেনি । ঠিক যেমনটা , সালমান মুক্তাদির এর পূর্বে বাংলাদেশের ইউটিউব প্লাটফর্মে ইউটিউবার অনেক ছিল। তবে ,  তাকেই বাংলাদেশের প্রথম সফল ইউটিউব এর হিসেবে গণ্য করা হয় । 2009 সালে  সর্ব প্রথম বারের মত freelancer.com প্রতিষ্ঠা লাভ করে।  এটি মূলত একটি অস্ট্রেলিয়ান প্রতিষ্ঠান । একটি প্রথমবারের মতো আত্মপ্রকাশ করেছিল অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে । প্রথমদিকে freelancer.com ছিল একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যেটি কিনা, ঠিকাদার এবং কর্মীদের  কাছ থেকে কোন ধরনের চার্চ নিত না ।  কেবলমাত্র  তাদেরকে একে অপরের সাথে পরিচয় করিয়ে দিত ।  এবং আরো মজার ব্যাপার হল, freelancer.com  প্রথম যখন তাদের যাত্রা শুরু করেছিল তখন ,  আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে কোন ধরনের ঝামেলা হলে এর দায় freelancer.com নিত না । সে কারণে আর্থিক লেনদেন ছিল অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ ।  এটি freelancer.com সম্পর্কে একটি  ফ্যাক্ট বলা চলে । বর্তমান সময়ের স্টক প্রাইস FLN (ASX) A$1.02 0.00 (0.00%) বর্তমানে ফ্রিল্যান্সার ডটকমে বাংলাদেশের প্রায় 10 মিলিয়ন ফ্রিল্যান্সার কাজ করে । 

 

বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং সাইট

 

এই আর্টিকেলটি লেখার সময় আমার ধারণা ছিল বাংলাদেশি হয়তো এখনো অব্দি স্বয়ংসম্পূর্ণ ভাবে কোন ফ্রীল্যান্সিং সাইট গড়ে ওঠেনি ।  সে কারণে আমি আর্টিকেলটি লেখার সময়  গুগোল করি ।  এবং জেনে অবাক হয়ে বাংলাদেশে স্বয়ংসম্পূর্ণ ভাবে বেশ কয়েকটি ফ্রিল্যান্সিং সাইট গড়ে উঠেছে ।  তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলোঃ

 

Kajkey.com

Kajkey.com 2017 সালের  বাংলাদেশের মাটিতে সর্ব প্রথম আত্মপ্রকাশ করে ।  এবং সবচেয়ে গর্বের ব্যাপার হলো এখানে শুধু বাংলাদেশের কাজ করে না তার পাশাপাশি বাংলাদেশের তুলনায় অনুন্নত দেশের  ফ্রিল্যান্সাররা  এখানে  কাজ করে  । এটা অবশ্যই ঠিক যে বাংলাদেশে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ফ্রিল্যান্সার সাইট থাকা উচিত ।  কেননা ,  বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ফ্রীলান্সিং কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটি সম্পর্কে হয়তো আপনাদের ধারণা হয়ে গেছে । 

 

ফ্রিল্যান্সিং শেখার বই বা ফ্রিল্যান্সিং শেখার বই pdf – how to do freelancing

 

ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য একটি পরিপূর্ণ গাইড লাইন সবারই প্রয়োজন হয় ।  বিশেষ করে যারা নতুন ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে ধারণা লাভ করেছে এবং ফ্রীলান্সিং সেক্টরে কাজ করতে চান তাদের ক্ষেত্রে এই সকল বই গুলো বেশ সহায়ক । পূর্বে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে তেমন কোন গাইডলাইন ছিল না । অর্থাৎ বাংলা ভাষায় কোন গাইডলাইন ছিল না ,  যাতে করে বাংলাদেশীদের ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে   যথাযথ ধারণা দেওয়া যায় । বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং কেন্দ্রিক বেশ কয়েকটি বই বাংলা ভাষায় প্রকাশ করা হয়েছে । সর্বপ্রথম বাংলাদেশের অন্যতম ফ্রিল্যান্সার ,  ফ্রিল্যান্সার নাসিম  বাংলা ভাষায় ফ্রিল্যান্সিং শেখার একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন প্রকাশ করেন । নাসিমের লেখা ফ্রিল্যান্সিং শেখার বই  টির নাম ফ্রিল্যান্সিংঃ  ইন্টারনেট থেকে আয় । 

 

বইটি বর্তমানে অনলাইনে rokomari.com এ পাওয়া যেতে পারে ।  এছাড়াও আপনি যদি চান তাহলে ফ্রিল্যান্সার নাসিম এর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে গিয়ে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন ।  এছাড়াও নিচের দেওয়া লিঙ্ক থেকে সংগ্রহ করতে পারেন বইটি ।  অর্ডার করার 5 থেকে 6 দিনের মাথায় বই পৌঁছে যাবে আপনার ঘরে । 

 

বই গুলির সম্পর্কে বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো এবং একই সঙ্গে দেওয়া হল  ব্যক্তিগত মতামত এবং রিভিউ ,  সাথে থাকছে  অর্ডার করার লিংক । 

 

ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয় (হার্ডকভার)

এ বইটি ২০২০  সালে প্রকাশ করেন ফ্রিল্যান্সার নাসিম ।  করণা মহামারীর কারণে কেবলমাত্র rokomari.com এর মাধ্যমে এ বইটি পৌঁছে গেছে পাঠকদের ঘরে । এ বইটিতে মূলত ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে দেয়া হয়েছে একটি পরিপূর্ণ ধারণা । ফ্রিল্যান্সিং  কি ,  কোথায় ফ্রিল্যান্সিং করতে হবে ,  কিভাবে করতে হবে ,  ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে কি কি জানতে হবে ,  কি  কি অভিজ্ঞতা থাকতে হবে , ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার এ  সফলতা অর্জনের জন্য কোন বিষয় গুলোকে মাথায় রাখতে হবে , প্রথম  বিড  পাওয়ার জন্য কি কি করতে হবে , কিভাবে ক্লায়েন্টকে সন্তুষ্ট করতে হবে  ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়েছে এই বইটিতে । 

 

যদি আমার ব্যক্তিগত মতামত এর কথা বলি তাহলে বলতে হয় ,   এই বইটি নতুনদের জন্য একদম উপযুক্ত ।  তবে বেশ কয়েকটি পৃষ্ঠাতে অসংলগ্ন বিভিন্ন অংশ তুলে ধরা হয়েছে ।  যেগুলি ,  বাদ দেওয়া হলে হয়তো বইটি আরো মার্জিত হত । 

মাত্র ২১৩  টাকায় পাওয়া যাবে এই বইটি ! 

 

বইটি অর্ডার করতে পারবেন এই লিংকে ক্লিক করে !

 

ওয়েব ডিজাইন শিখে ডলার আয় (হার্ডকভার)

 

এই বইটিতে মূলত ওয়েব ডিজাইনিং সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে তার বইয়ের নাম দেখে বোঝা যাচ্ছে ।  বইটি প্রকাশ করা হয়েছে 2021 সালের  বইমেলা উপলক্ষে । এবং ফ্রিল্যান্সার নাসিম এর সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বিক্রি হওয়া বই  এটি ।  বিক্রি বাটোয়ারা হয়তো আরও বাড়তো । তবে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স নিয়ে সমালোচনা এবং আলোচনার মুখে পড়ার কারণে অনেকেই ফ্রিল্যান্সার নাসিম এর কাছ থেকে বিমুখ হয়ে পড়েছেন । অবশ্য যাদের কেনার তারা ঠিকই কিনেছেন ! 

 

 বইটি সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত মতামত এর কথা বলতে গেলে ,  বলতে পারি , এখানে ওয়েব ডিজাইনিং সম্পর্কে  ধারণা দেয়া হয়েছে ঠিকই ,  তবে এটি  টেক্সট আকারে না লিখে  অথবা বই প্রকাশ না করে ,  ভিডিও টিউটোরিয়াল এর মাধ্যমে যদি বোঝানো হতো তাহলে ব্যাপারটা আরো স্পষ্ট হতো । অবশ্য এখনকার  সাহিত্য প্রাঙ্গণে  লেখকদের খুব একটা পাত্তা নেই । সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সারদের  ভিড়েই বাজার ভরপুর । 

সে কথা না হয় বাদ যাক । রকমারি থেকে এ বইটি অর্ডার করলে মাত্র 5 থেকে 6 দিনের মাথায় পৌঁছে যাবে আপনার  ঘরের দরজায় । বাংলাদেশ এ বইটি পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২৫৫  টাকায় । 

 

বইটি অর্ডার করতে এই লিংকে ক্লিক করুন ! 

 

ফ্রিল্যান্সিং করে আয় ফ্রিল্যান্সারদের বাজিমাত করা বইয়ের কালেকশন (হার্ডকভার)

 

এটি মূলত একটি   প্যাকেজ ।  বইয়ের প্যাকেজ !  যেখানে আপনি একই সাথে বাংলাদেশের নামকরা এবং  সফল  তিনজন ফ্রিল্যান্সারের লেখা বই পাবেন  প্যাকেজ হিসেবে । বই তিনটি লিখেছেন  রাহিতুল ইসলাম মো. আমিনুর রহমান ,  ফ্রিল্যান্সার নাসিম । রকমারিতে অর্ডার করলে ওরা প্যাকেজটি পৌঁছে যাবে আপনার ঘরে তাও কেবলমাত্র ৪  থেকে ৫  দিনের  মাথায় । বাংলাদেশ এই বইটির পুরো প্যাকেজের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৯৫  টাকা । আপনি চাইলে নিচে দেওয়া লিঙ্ক থেকে  অর্ডার করতে পারেন এই বইটি ! এ বইটিতে যে ধরনের টিউটোরিয়াল গুলো দেখানো হয়েছে সেই সকল টিউটরিয়ালের  প্রতি টি  স্ক্রীনশট যুক্ত করা হয়েছে ।  তবে আমিনুর রহমানের লেখা বইটি পড়তে গেলে হয়তো কিছুটা বেগ পেতে হতো ।  কেননা  সেখানে যে সকল স্ক্রিনশট যুক্ত করা হয়েছে সেগুলো কিছুটা অস্পষ্ট ।  তবে এটি কেবল মাত্র আমার  সাথেই হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে আমি সঠিকভাবে বলতে পারবোনা । তবে বইটিতে  প্রয়োগ করা প্রত্যেকটি ভাষা অনেক সুস্পষ্ট ছিল । বোধগম্য ছিল ! 

 

বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের মতে আমিনুর রহমান সবচেয়ে বেশি বই লিখেছেন ।  যে বইগুলো অধিকাংশই ছিল ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কিত । এছাড়া ওনার লেখা বেশ কিছু আউট টপিক হয়ে রয়েছে । সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো ,  উনার ফ্রিল্যান্সার ভিত্তিক বই গুলোর তুলনায় আউট টপিকের ওপর লেখা বইগুলো আমার কাছে সবচেয়ে বেশি পছন্দ হয়েছে । উনার লেখা একটি বই ছিল ,  যে বইটি আমি সম্প্রতি পড়েছি । বইটির নাম , “আউটসোর্সিং ৪: অভিজ্ঞদের অভিজ্ঞতা থেকে”। তবে কোন এক কারণবশত বইটি প্রকাশনী ,  অথবা কোন অনলাইন বুক সেলিং প্লাটফর্মেও নেই । 

 

বইয়ের প্যাকেজ অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন !

 

বইমেলা ২০২০ ক্যারিয়ার পাথ কালেকশন (হার্ডকভার)

 

আগের বই এর প্যাকেজের মতো এটিও মূলত একটি বইয়ের প্যাকেজ ।  যে  প্যাকেজে আপনি পাবেন তিনটি বই ।  তিনটি বই যথাক্রমে লিখেছেন ,  ফ্রিল্যান্সার নাসিম মোস্তাফিজুর রহমান ,  জুবায়ের হোসেন । 

 

এই বইগুলো সম্পর্কে ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছুই বলার নেই ।  কেননা ফ্রিল্যান্সার নাসিম এর প্যাকেজ ব্যতীত মোস্তাফিজুর রহমান অথবা জুবায়ের হোসেন এর বই আমার পড়া হয়ে ওঠেনি । তবে আপনি চাইলে দেখে নিতে পারেন একটি সংক্ষিপ্ত রূপ এবং স্পেসিফিকেশন এই লিংক থেকে !

 

বিটকয়েন সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নিন ! 

 

বইটি অর্ডার করতে চাইলে এই লিংকে ক্লিক করুন ! 

 

এছাড়াও আপনি চাইলে ফ্রিল্যান্সিং শেখার বই pdf ফাইল হিসেবে ডাউনলোড করে নিতে পারেন নিচে দেওয়া লিঙ্ক থেকে ! 

 

ফ্রিল্যান্সিং শেখার বিভিন্ন বাংলাভাষী  বই ডাউনলোড করতে  এই  লিঙ্কে ক্লিক করুন !

 

ফ্রিল্যান্সিং শিখুন : কেন ফ্রিল্যান্সিং শেখা গুরুত্বপূর্ণ ? 

 

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে বেকারত্ব  একটি অভিশাপ এর নয় কাজ করছে ।  একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল কম , কর্মসংস্থান ছিল তুলনামূলক বেশি ।  তবে কেবলমাত্র ছিল দক্ষ এবং শিক্ষিত লোকের অভাব ।  কিন্তু যখন দক্ষ অশিক্ষিত লোক পাওয়া গেল তখন ,  বিদেশে কর্মসংস্থানের অভাব কমে গেল কেবলমাত্র জনসংখ্যা বৃদ্ধি ,  মাত্রাতিরিক্ত চাকরিপ্রার্থী এবং বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির কারণে । এবং সে কারণে অনেক সময় লক্ষ্য করে থাকবো ,  একটি সমাজের ধীরে ধীরে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে । সে কারণে দেশকে বেকারত্বের কলুষতার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে সর্বপ্রথম আমাদেরকে বেকার মুক্ত হতে হবে ।  কেবলমাত্র বেকার মুক্ত সমাজ সমাজ এর  উন্নয়ন সাধন একনিষ্ঠ ভাবে কাজ করে যেতে পারে । 

 

 কেননা একটি জিনিস সর্বদা মনে রাখতে হবে বেকারত্ব ,  দারিদ্রতার জন্ম দেয় ।  এবং দারিদ্রতা জন্ম দেয় দুর্নীতির ।  এবং দুর্নীতি আবার পুনরায় বেকারত্বের জন্ম দেয় ।  সুতরাং এটি একটি চক্রাকারে ঘুরতে থাকে । যার ফলে বেকারত্বের এই করাল গ্রাস থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে ।  বেকারত্ব এর হাতছানি থেকে নিজেকে মুক্ত করার একটি মাত্রই পথ  খোলা রয়েছে ।  সেটি হচ্ছে ফ্রীল্যান্সিং সেক্টরে নিজেকে প্রমাণ করা ।  আপনার যদি আদৌ যোগ্যতা থেকে থাকে তাহলে আপনি নিজেকে এই সেক্টরের প্রমাণ করতে পারবেন ।  কেননা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে যে সকল মানুষ গুলো কাজ করে এরা একই সাথে কর্মঠ এবং সৃজনশীল ।  সুতরাং এখানে কেউ টিকে থাকতে পারে না দক্ষতা এবং কর্মক্ষমতা ব্যতীত । 

 

আমি আবারো বলছি এখানে কেবল মাত্র তারাই টিকে থাকতে পারেন যাঁদের দক্ষতা এবং কর্ম ক্ষমতা রয়েছে ।  যারা অলস যাদের কাজের প্রতি অনীহা রয়েছে তারা এখানে কখনো টিকে থাকতে পারবে না ,  এবং ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিয়ারের খুব একটা উন্নতি সাধন করতে পারবে না । সুতরাং এখানে টিকে থাকতে হলে আপনার তিনটি জিনিসের প্রয়োজন হবে ! 

 

দক্ষতা ,  কর্মক্ষম ,  এবং  ধৈর্য । এই তিনটি জিনিসের মধ্যে যদি  একটিরও ঘাটতি থাকে তাহলে আপনি  ফ্রীল্যান্সিং সেক্টরে মোটেও টিকে থাকতে পারবেন না । 

 

সে কারণে ফ্রীল্যান্সিং মানে যে সোনার হরিণের এমনটাও নয় ।  কেননা , এ যাবত পর্যন্ত যারা সফলতার সাথে ফ্রিল্যান্সিং  করে এসেছেন তাদের সফলতার পথ , খাচ কাটা , ধারযুক্ত ছুরির মতো ছিলো !  

 

সুতরাং চেষ্টা চালিয়ে যান , সফলতা আপনার দোরপ্রান্তে আসবে ! 

 

6 thoughts on “ফ্রিল্যান্সিং কি ? কিভাবে শুরু করব ?”

Leave a Comment