?> নামাজের সময়সূচি ,তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত-2021 Greatest pray ! - Tech News Trend

নামাজের সময়সূচি ,তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত-2021 Greatest pray !

নামাজের সময়সূচি ! নামাজের সময়সূচি জানাটা একজন মুসলমানের কর্তব্য বটে । সমগ্র পৃথিবীতে নামাজের সময়সূচি একরকমের নয় । সমগ্র পৃথিবীতে এমন কে প্রত্যেকটি দেশের প্রত্যেকটি এলাকায় নামাজের সময়সূচি এর ভিতর পার্থক্য রয়েছে । 

 

চলুন জেনে নেওয়া যাক নামাজের সময়সূচি সম্পর্কে ! 

 

নামাজের সময়সূচি জেনে নিন ! 

যেহেতু বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সে কারণে ঢাকা কে কেন্দ্র করে সমগ্র  দেশের এলাকাভেদে , দ্রাঘিমার ওপর নির্ভর করে নামাজের সময়সূচী নির্ধারণ করা হয় । 

 

চলুন জেনে নেওয়া যাক ঢাকায় কোন ওয়াক্ত নামাজ কখন শুরু হয় ! 

নামাজের সময়সূচি :

ফজরের নামাজঃ ঢাকায় বর্তমানে ফজরের ওয়াক্ত শুরু হয় ৪ টা ৫ মিনিট থেকে । 

যোহরের নামাজঃ ঢাকায় যোহরের নামাজ শুরু হয় ১১ টা ৪৩ থেকে । 

আসরের নামাজঃ আসরের নামাজ শুরু হয় ৩ টা ৪৩ মিনিট থেকে । 

মাগরিবের নামাজঃ মাগরিবের নামাজ শুরু হয় ৬ টা ৩১ মিনিট থেকে । 

ইশার নামাজঃ ইশার নামাজ শুরু হয় ৭ টা ৪৫ মিনিট থেকে । 

 

এলাকাভেদে সময়ের পরিবর্তন ঘটে ! 

 

নামাজের সময়

আপনি যদি নামাজের সঠিক সময় সম্পর্কে অবগত হতে চান তাহলে সে ক্ষেত্রে ডাউনলোড করে নিতে পারেন এই অ্যাপ ! অ্যাপটি ডাউনলোড করতে এই লিংকে ক্লিক করুন ! 

 

পূর্বে নামাজের সময় নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতো । নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি  সালাম , মেরাজ গমন এরপর যখন নামাযের হুকুম এ নিয়ে আসেন তখন তিনি পাঁচ ওয়াক্ত শালা তাদের নির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণ করে দেন । 

নামাজের সময়সূচি জেনে নিন !

প্রথমত , ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হয়  সুবহে সাদিক থেকে শুরু করে  সূর্য উদয় হওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত । তবে সূর্য উদয় হয়ে গেলে নামাজের হারাম সময় শুরু হয়ে যায় । 

 

দ্বিতীয়তঃ জোহরের নামাজের নামাজের সময়সূচি: ওয়াক্ত শুরু হয় ,  সূর্য ঠিক যখন মাথার ওপরে অবস্থান করে । এবং জোহরের নামাজের ওয়াক্ত ঠিক তখন শেষ হয় যখন , কোন বস্তুর ছায়ার যখন সে বস্তুর দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ হয়।

 

তৃতীয়তঃ আসরের ওয়াক্ত শুরু হয় যোহরের ওয়াক্ত শেষ হওয়া থেকে শুরু করে সূর্য অস্ত যাওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত । 

 

অতঃপর মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হয় সূর্যাস্ত থেকে শুরু করে ঠিক তখন পর্যন্ত যতক্ষণ না আকাশে লাল আভা না  যায় । 

 

এবং আকাশের লাল  আবহাওয়ার মুহূর্ত থেকে শুরু করে শুভ সাদিক পর্যন্ত চলতে থাকে এশার নামাজের ওয়াক্ত । 

 

তবে বর্তমানে মানুষের কর্ম ব্যস্ততার কারণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঘড়ির সময় এর উপর নির্ভর থাকতে হয় । তবে  সবচেয়ে বড় বিপত্তির সম্মুখীন তখনই হয় যখন এলাকাভেদে নামাজের সময় অর্থাৎ নামাজের ওয়াক্তের সময় ভিন্ন হয়ে থাকে । এমনকি  মাঝে মধ্যে লক্ষ্য করা যায়  পাশাপাশি অবস্থিত দুটি উপজেলায় নামাজের ওয়াক্তের মধ্যে এক বিশাল তফাৎ । 

সে কারণেই মূলত জিপিএস সিস্টেম  ব্যবহার করে নামাজের সময় নির্ধারণ করার জন্য বেশ কয়েকটি অ্যাপ্লিকেশন লঞ্চ করা হয়েছে গুগল প্লে স্টোরে । 

 

আপনি চাইলে তার ভেতর থেকে কিছু অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন । সবকটি অ্যাপ্লিকেশন বেশ কার্যকর ! 

নামাজের সময়সূচী অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করতে হলে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে !

 আযান বাংলাদেশ সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করতে হলে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে !

 

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত খুবই  গুরুত্বপূর্ণ । নামাজের নিয়ত  নামাজের পূর্ণতা প্রদান করে ।  একইভাবে তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত তাহাজ্জত নামাজের পূর্ণতা প্রদান করে । 

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত সম্পর্কে বেশ কিছু হাদিস রয়েছে । তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত এর পাশাপাশি এটি কিভাবে আদায় করতে হয় সে সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয় বেশ কিছু সহিহ হাদিসে । তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত খুব সোজা এবং তাহাজ্জুদের নামাজে অনেক ফজিলত রয়েছে । 

 

নামাজের সময়সূচি

নামাজের সময়সূচি app

পাঠকদের কথা চিন্তা করে আমরা সহিহ হাদিস থেকে তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত সংগ্রহ করেছি । 

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত নিচে দেওয়া হলোঃ

 

নিচে লেখা এটি মূলত তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়তঃ

 

তারাবির নামাজের নিয়ম 

তারাবির নামাজ প্রত্যেকটি মুসলমানের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ।  তারাবির নামাজ হলো গুনাহ মাফের অন্যতম একটি উপায় । যে ব্যক্তি রমজান মাসের তারাবির নামাজ আদায় করে সে ব্যক্তির সারা জীবনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয় বলে একটি হাদীসে বর্ণিত রয়েছে । 

 তাহাজ্জুদের নামাজের নিয়ম অনুসারে নামাজ পড়লে আল্লাহতালা শতভাগ দেবে সওয়াব দেবে । তবে কোনো কারণে যদি তারাবির নামাজের নিয়ম এর ব্যতিক্রম হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে নামাজ শুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । মূলত দুই রাকাত দুই রাকাত করে তারাবির নামাজ আদায় করতে হয় ।  এটি তারাবির নামাজের নিয়ম । 

 

প্রতি চার রাকাত পর কিছুক্ষণ পরে বিশ্রাম নেওয়া যেতে পারে । সাধারণত অনেককে তারাবির নামাজের প্রতি চার রাকাত সম্পন্ন করে একটি বহুল প্রচলিত দোয়া পাঠ করে থাকেন । 

 

سُبْحانَ ذِي الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ سُبْحانَ ذِي الْعِزَّةِ وَالْعَظْمَةِ

وَالْهَيْبَةِ وَالْقُدْرَةِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْجَبَرُوْتِ سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْحَيِّ الَّذِيْ لَا يَنَامُ وَلَا يَمُوْتُ اَبَدًا اَبَدَ سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّنا وَرَبُّ المْلائِكَةِ وَالرُّوْحِ

 

আমাদের ভেতরের স্বভাবতই তারাবির নামাজের রাকাত সংখ্যা নিয়ে বেশ মত পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় ।কখনোই তাড়াহুড়ো করে তারাবির নামাজ শেষ করা উচিত নয় কেননা এতে করে নামাজ শুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরামদের মতে যদি কোন ইমাম দ্রুত গতিতে নামাজ পড়ানো শুরু করে তাহলে সেই ক্ষেত্রে অতিসত্বর মসজিদ থেকে বের হয়ে এসে পরিবারের সঙ্গে নামাজ পড়াটাই  শ্রেয় ।

সবচেয়ে উৎকৃষ্ট হল তারাবির নামাজ ধীরেসুস্থে আদায় করা । এতে নামাজের ভেতর সৌন্দর্য বজায় থাকে এবং ব্যক্তি গোনা মুক্ত হয় ।

 

তারাবির নামাজ কয় রাকাত পড়বো ?

 

নামাজ মূলত বান্দার সাথে আল্লাহর তায়ালার সেতুবন্ধন সৃষ্টি করার অন্যতম উৎকৃষ্ট একটি পন্থা ।  সুতরাং যে ব্যক্তি নামায আদায় করবে আল্লাহ তায়ালা সেতুবন্ধন তৈরি হবে এবং একই সাথে সে ততো সওয়াব  লাভ করবে । এবং দুনিয়াবী একসাথে আখিরাতের জীবনে উন্নতি সাধন হবে । 

 

যার ফলে কোন ব্যক্তি যদি তারাবির নামাজ 8 রাকাত নাকি  বিশ রাকাআত এই ব্যাপারটি নিয়ে মতবিরোধ করে তাহলে সে ক্ষেত্রে আল্লাহতালা অসন্তুষ্ট হন এবং সেই ব্যক্তির ওপর আল্লাহতালার গজব নাজিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । 

বরং বাস্তবতা এবং সত্য এটাই যে যে ব্যক্তি যত বেশি সালাত আদায় করবে সে ব্যক্তি তত সওয়াবের  অধিকারী হবে এবং একই সাথে এটাও সত্যি , যদি কোন ব্যক্তির শারীরিক কার্য ক্ষমতার দিক দিয়ে আট রাকাত তারাবির নামাজ আদায়  করে তাহলে সে ক্ষেত্রে তার ওপর 8 রাকাতের পূর্ণাঙ্গ  ফজিলত  নাযিল করা হবে । 

 

সে কারণে মনে রাখবেন পরেরবার থেকে 8 রাকাত নাকি 20 রাকাত এই বিষয়টি নিয়ে মতবিরোধ করা থেকে বিরত থাকবেন । 

  

3 thoughts on “নামাজের সময়সূচি ,তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত-2021 Greatest pray !”

Leave a Comment