কুরআন শরীফ |কুরআন শিক্ষা | কুরআন শরীফ শিক্ষা -2021,Great book !

কুরআন শরীফ ! সমগ্র পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ এবং একই সাথে একটি পথপ্রদর্শক গ্রন্থ । যেটি সমগ্র মানবজাতির হেদায়েতের জন্য নাজিল করা হয়েছিল সৃষ্টির সেরা মানব হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অপর । সর্বপ্রথম কুরআন শরীফের  অন্যতম সূরা সূরা আলাকের প্রথম পাঁচটি আয়াত নাযিল করা হয় হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওপর ।

 

বলা হয়ে থাকে কুরআন শরীফ কেবলমাত্র মুসলমান জাতির জন্য নয় তার পাশাপাশি সৃষ্টির সকল মানুষের জন্য একটি হেদায়েতের পথ প্রদর্শক । অর্থাৎ কুরআন শরীফে  এমন কোন আয়াত নেই যেটি এতদিন পর্যন্ত কেউ ভুল প্রমাণ করতে পেরেছে ।

 

কুরআন শরীফে রয়েছে মোট  114 টি সূরা এবং সব মিলিয়ে আয়াত সংখ্যা 6666  টি । কুরআন মজীদে আল্লাহ তাআলা  অস্তিত্ব , মানবজাতির জন্য সকল ধরনের  হেদায়েত মূলক আয়াত ,  সংস্কৃতি ,  বিজ্ঞান  সম্পর্কিত একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান রয়েছে ।

 

কুরআন শরীফের নাজিল কর্তা  স্বয়ং আল্লাহ তাআলা এবং আল্লাহ তায়ালাই কুরআন শরীফ   রক্ষার সংকল্প করেছেন ।

 

কুরআন শরীফ কে আল কুরআন  বলা হয়ে থাকে । এটি শুধুমাত্র একটি কেতাব নয় তার পাশাপাশি একটি লিখিত জীবন বিধান।যে জীবনে বিধান অনুসরণ করলে কখনো কোনো মানুষকে পথভ্রষ্ট হবে না । এবং যারা এই কুরআন শরীফে বিশ্বাস স্থাপন করবে এবং কুরআন শরীফে লিখিত আয়াতগুলো যথোপযুক্তভাবে অনুসরণ করবে তারাই আখিরাত এবং দুনিয়াবী জীবনের সফলকাম হতে পারবে ।

 

আপনি চাইলে আল-কুরআন সম্পর্কিত একটি অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে নিতে পারেন এই লিংক থেকে! এখানে ক্লিক করুন !

কুরআন শিক্ষা | কুরআন শরীফ শিক্ষা

যেহেতু করার শরীফের সমগ্র জাতির হেদায়েতের জন্য নাজিল করা হয়েছে সুতরাং  কুরআন শরীফ শিক্ষা একান্ত   জরুরী একটি বিষয় । তা না হলে দুনিয়াবী জীবন এবং আখিরাতে পথভ্রষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে । বর্তমানে বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশে মুসলমান জনগোষ্ঠীর অবস্থান রয়েছে । সে কারণে সেই সকল দেশে কুরআন শিক্ষা  বেশ তাৎপর্যপূর্ণ । শুধু কুরআন তেলাওয়াত  করা জানলেও চলবে না তারা পাশাপাশি কোরআনের সঠিক অনুবাদ জেনে সেই মোতাবেক জীবন পরিচালনা করতে হবে ।

 

কুরআন শিক্ষা অথবা ধর্মীয় বিধি নিষেধ শিক্ষার ব্যাপারে বাংলাদেশেও  যথেষ্ট গুরুত্ব আরোপ করা হয় । সে কারণে সাম্প্রতিক সময়ে প্রাথমিক- প্রাক প্রাথমিক ,  মাধ্যমিকের শিক্ষা কার্যক্রমে কুরআন শিক্ষা ওস্তাদ ও ধর্মীয় বিধি-নিষেধ শিক্ষা সম্পর্কিত একটি বিষয়ে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আপনি যদি ,  মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে কুরআন শিক্ষা শিখতে চান তাহলে সেই ক্ষেত্রে এই লিংকে গিয়ে কাঙ্খিত অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে নিতে পারেন ! এখানে ক্লিক করুন !  

 

কুরআন তেলাওয়াত

কুরআন তেলাওয়াত করা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ইবাদত । এবং কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য সবচেয়ে প্রাধাণ্যপ্রাপ্ত তেলাওয়াত হচ্ছে নাজিরা তেলাওয়াত ।  নাজিরা তেলাওয়াত অর্থ দেখে দেখে কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করা । এটি সবচেয়ে বেশি ফজিলত পূর্ণ । একটি হাদিসে বর্ণনা করা হয়েছে,  মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন কোনো ব্যক্তি যদি কুরআন শরীফের একটি  হরফের  শুদ্ধ তেলাওয়াত করতে পারে তাহলে তার জন্য আল্লাহ তাআলা দশটি  সওয়াব বরাদ্ধ রাখবেন । সুতরাং শুদ্ধভাবে কুরআন তেলাওয়াত করা অত্যাবশ্যক । কুরআন তেলাওয়াত করার সময় অবশ্যই মার্জিত এবং ভদ্র ভাবে  সম্মানসূচক ভঙ্গিতে কুরআন তেলাওয়াত করতে হবে । যে ব্যক্তি অসুস্থ ভাবে কুরআন তেলাওয়াত করবে অথবা কুরআন তেলাওয়াতের সময় , কোন ধরনের বেয়াদবি মূলক আচরণ অথবা হতাশা প্রকাশ করলে আল্লাহ তায়ালা অসন্তুষ্ট হন এবং সেই ব্যক্তি   গোনাগার  হন ।

কুরআন শরীফ

সভ্য এবং সাবলীল ভাবে কুরআন তেলাওয়াত শিখতে হলে আপনি নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে টেন মিনিট স্কুলের একটি পূর্ণাঙ্গ কোর্স করে আসতে পারেন ।

এখানে ক্লিক করুন ! কোর্সটি করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে 450 টাকা ।

 

তাফহীমুল কুরআন

তাফহীমুল কুরআন হল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ  6 খন্ডে বিভক্ত একটি কুরআন ব্যাখ্যাকারী গ্রন্থ । মাওলানা মওদুদী এর  রচয়িতা । বলা হয়ে থাকে তিনি তাফহীমুল কুরআন  রচনা করতে গিয়ে তিরিশ বছর সময় ব্যয় করেছিলেন । যেটি তাঁর জীবনদশার  অর্ধেক সময় ছিল ।

 

এটি মূলত কোরআনের সঠিক ব্যাখ্যা গুলো উল্লেখ  করে । যেখানে মূলত আলোচনা করা হয়েছে অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস এবং রাজনীতি সম্পর্কিত আলোচনা রয়েছে।এর নামকরণ করা হয়েছিল ফাহম  শব্দ  থেকে । ফাহম  শব্দের  অর্থ , বোঝা জানা অথবা অবগত হওয়া ।

 

কুরআনের আলো

কোরআনের আলো মূলত একটি অনলাইন প্লাটফর্ম যেখানে  কুরআন ,  হাদিস  সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল এবং ভিডিও পাওয়া যায় । এবং তার পাশাপাশি সেখানেও কোরানের প্রত্যেকটা আয়াত এর সঠিক বঙ্গানুবাদ এবং  তার বাংলায় ব্যাখ্যা পাওয়া যায় । আপনি চাইলে ভিজিট করে আসতে পারেন তাদের ওয়েবসাইট ! কুরআন শরীফের মর্ম বুঝুন !

 

কোরআনের বঙ্গানুবাদ

 

বলা হয়ে থাকে কোরআনের বঙ্গানুবাদ করেছিলেন একজন ভারতীয় হিন্দু বৈয়াকরক গিরিশ চন্দ্র সেন।তবে অনেকের দাবি তার পূর্বেও অনেকে কোরআনের বঙ্গানুবাদ করেছিলেন । তবে তার ভেতরে গিরিশ চন্দ্র সেনেরটা বেশী প্রাধান্য পাইয় । তবে ২০ শতাব্দীতে এসে দেখা যায় গিরিশের করা সেই কোরআনের বঙ্গানুবাদ এ অনেক ভুল ব্যাখ্যা রয়েছে,যার ফলে অনেক সময় মুসলমান সমাজ  বিভিন্ন অপব্যাখ্যা গ্রহণ করে নিয়েছেন । এই অপব্যাখ্যাকে কেন্দ্র করে নাস্তিক সমাজ মাঝে মধ্যেই হেও প্রতিপন্ন করত মুসলমান সমাজকে । তবে বর্তমানে মুসলল্মান সমাজ সেই অপব্যাখ্যা থেকে উঠে এসেছে । বর্তমানে দেশে অনেক শিক্ষিত স্কলার এসেছেন তাই তারা কোরআনের বঙ্গানুবাদ করতে পুনরায় সংকল্পবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন ।

 

কুরআন তিলাওয়াত করার ফজিলত

কুরআন করার ফজিলত বলে শেষ করা যাবে না । শুরুতেই বলা হয়েছে কুরআন কেবল একটি গ্রন্থ নয় এটি একটি জীবন বিধান । একটি ভুখন্ড পরিচালনায় যেমন একটি সংবিধান থাকে তেমনই কুরআন একটি দলিলের ন্যায় কাজ করে যেটি মানুষের পথপ্রদর্শক  ।

 

কুরআন তিলাওয়াত করলে মানুষের মানুসিক প্রশান্তি মেলে । এতে আমরা দুনিয়াবী ও ইহকালীর জীবনে সফলতা লাভের জন্য করণীয় দিকনির্দেশনা খুজে পাই । শুধু তাই নয় কুরআন তিলাওয়াত করা এক ধরণের ইবাদত । মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যদি কোনো ব্যাক্তি শুদ্ধভাবে কুরআনের একটি হরফ তিলাওয়াত করতে পারে তাহলে আল্লাহ তায়ালা তার জন্য ১০ টি নেকি বরাদ্দ করে। কুরআন শরীফের বিভিন্ন আয়াত আমরা ব্যবহার করে থাকি আমাদের নামাজে ।

 

সুতরাং সকল মুসলমানের উচিৎ কুরআন শরীফ এ শ্রদ্ধাশীল থাকা , কেননা এতে করে ইহকাল ও পরকালে শান্তি আসবে,জীবন সুন্দর হবে ,মৃত্যুর পর আখিরাতে সমৃদ্ধি মিলবে ।